RSS

ইসলাম ও দাস প্রথা

04 ডিসে.

ইসলাম ও দাস প্রথা


ইসলামের ওপর তথাকথিত প্রগতিবাদীদের পক্ষ থেকে যেসব অভিযোগ উত্থাপিত হয়ে থাকে দাস প্রথা তার একটি। মার্কসবাদীরা মানুষকে ইসলাম থেকে বিমুখ করার হীন উদ্দেশ্যে এ হাতিয়ারটিকে সাময়িকভাবে ব্যবহার করে। তাদের দাবী ইসলাম সাময়িকভাবে পৃথিবীতে শান্তি স্থাপনে সক্ষম হয়েছিল সন্দেহ নেই। কিন্তু তাই বলে তা সর্বকালের জন্যে মানবতার একমাত্র আদর্শ হতে পারে না। কারণ ইসলাম দাস প্রথাকে স্বীকার করে। অথচ এ ছিল ইতিহাসের গতিধারায় এক পর্যায়ের অনিবার্য ব্যবস্থা। ইসলাম যদি সর্বকালের মানুষের জন্যে জীবন বিধানরূপে স্রষ্টার পক্ষ থেকে মনোনীত হতো, তাহলে এ প্রথাটিকে কখনই স্বীকৃতি দিতো না। এ থেকে প্রমাণিত হয় যে, ইসলাম ছিল সাময়িক জীবন দর্শন। সাময়িকভাবে তা সফল ছিল। কিন্তু সময়ের বিবর্তনে এখন তা অচল। প্রগতিশীলদের এরূপ প্রচারণার ফলে মুসলিম যুবমানস আজ বিপর্যস্ত। তারা ইসলাম সম্পর্কে সন্দিহান হয়ে পড়েছে। বলা বাহুল্য, এটি ইসলাম থেকে মুসলিম যুব সমাজকে বিচ্ছিন্ন করার একমাত্র চক্রান্ত নয়। সাহিত্য, সংস্ড়্গৃতি ও শিক্ষার নানা আবরণে মুসলিম সমাজকে বিভ্রান্ত করার প্রয়াস পশ্চিমাদের নিয়মিত কর্মকাণ্ডের অন্তর্গত।

ইউরোপের নতুন সভ্যতার প্রশংসা ও গুণগান করতে গিয়েই আধুনিক শিক্ষিত সমাজ পাশাপাশি ইসলামের বিভিন্ন বিধি ব্যবস্থার ত্রুটি ও অসামঞ্জস্য শনাক্ত করার প্রয়াস চালায়। ইসলামের কথা আসতেই তারা দাস প্রথার কথা বেশ রং লাগিয়ে ফলাও করে প্রকাশ করেন। অথচ ইসলামই প্রথম ব্যবস্থা যা মানুষকে মানুষের গোলামী থেকে মুক্তিদানের বাস্তব পদক্ষেপ নিয়েছে। ইসলামের সাথে দাস প্রথার সম্পর্ক নির্ণয়ের জন্যে আমাদেরকে ঐতিহাসিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে বিষয়টিকে বিবেচনা করতে হবে।

বিংশ শতাব্দীর শেষ প্রান্তে এসে মানুষ যখন সভ্যতার শীর্ষে উপনীত হবার দাবী করছে তখন দাস প্রথা একটি প্রাচীন মানবেতর সমাজের চিত্র হিসেবে তাদের নিকট প্রতিভাত হয়। আজকের পটভূমিতে দাঁড়িয়ে যদি কেউ প্রাচীন যুগের দাস প্রথার কথা ভাবেন এবং দাস শ্রেণীর সাথে কি ধরনের ঘৃণ্য আচরণ করা হতো, তা যদি চিন্তা করা হয়, তবে এটিকে অত্যন্ত বেদনাদায়ক এক ব্যবস্থা বলে মনে হবে। আমরা হয়তো ভাবতেই পারবো না যে, কোন জীবন ব্যবস্থা এরূপ একটি প্রথাকে কিভাবে অনুমোদন দেয়। অথচ ইসলাম মানুষকে একমাত্র আল্লাহর দাসত্ব ব্যতীত অন্য কারো দাসত্ব স্বীকার করতে নিষেধ করে। মুসলমানদের অনেকের ধারণা ইসলাম যদি খোলাখুলিভাবে দাস প্রথা নিষিদ্ধ করতো তাহলে কতই না সুন্দর হত।

তবে প্রথমেই বলে রাখা ভাল, দাস প্রথা পৃথিবীর প্রাচীন প্রতিটি সভ্যতায়ই বিদ্যমান ছিল। কিন্তু অন্যান্য সভ্যতায় দাস শ্রেণীর সাথে যে আচরণ করা হতো তার সাথে সাথে মুসলমানদের আচরণ বিচার করলেই ইসলামের শ্রেষ্ঠত্ব ও মানবিকতার উজ্জ্বল নিদর্শন পাওয়া যায়। উদাহরণস্বরূপ রোমান সমাজের কথা উল্লেখ করা যায়। রোমানরা দাসদেরকে মানুষ বলে গণ্য করতো না। দাস ছিল পণ্য সামগ্রী। তাদের কোন অধিকারের প্রশ্নই ছিল না। বরং তাদেরকে সারাক্ষণ নানা কাজে লিপ্ত রাখা হতো। অন্যান্য সমাজের অবস্থাও ছিল অনুরূপ।

দাস প্রথার উদ্‌ভব কিভাবে হলো তার কোন প্রামাণ্য দলিল খুঁজে পাওয়া যায় না। তবে এতটুকু বলা যায় যে, সম্্‌ভবত যুদ্ধজয়ের সামগ্রী রূপেই দাস শ্রেণীর উদ্‌ভব হয়েছিল। অথচ এসব যুদ্ধের পিছনে কোন নীতি বা আদর্শের বিষয় ছিল না। বরং কোন জাগতিক স্বার্থ উদ্ধার করার জন্যেই তাদের সকল যুদ্ধ বিগ্রহ পরিচালিত হতো। রোমান জাতির যুদ্ধের লক্ষ্য ছিল তাদের বিলাসবহুল জীবনের সামগ্রী যোগান দেয়া। আনন্দদায়ক সুখ সামগ্রী অর্জনের জন্যে তারা বিভিন্ন জাতিকে অধীন করে রাখতে চাইতো। এসব যুদ্ধে যারা বন্দী হতো, তাদেরকে নিতান্ত অপরাধী গণ্য করতো। তাই তাদের কোন অধিকারই স্বীকৃত ছিল না। অত্যন্ত নির্মমভাবে তাদেরকে হত্যা করা হতো। আশুরী, মিসরী ও ইহুদী জাতি যুদ্ধবন্দীদের সাথে এরূপ আচরণই করতো।

কিছুদিন পর তাদের এই নীতিতে কিছুটা পরিবর্তন আসে। যুদ্ধবন্দীদেরকে হত্যা করার পরিবর্তে তাদেরকে দাস বানাবার নীতি প্রচলিত হলো। কিন্তু তাদের উপর চলতো অমানুষিক নির্যাতন। দাসদেরকে কঠোর পরিশ্রম করতে বাধ্য করা হতো। মাঠে কাজ করার সময় তারা যাতে পালাতে না পারে সেজন্যে পাহারার ব্যবস্থা থাকতো অথচ তাদের হাতে পায়ে লোহার শিকল ও বেড়ি পরানো হতো। তাদের আহারের ব্যবস্থা ছিল অতি নিম্নমানের। কোন মতে বেঁচে থাকার মত খাবারই তাদেরকে দেয়া হতো। তা- ও দেয়া হতো কাজ নেয়ার স্বার্থে। তারা যাতে কাজকর্ম চালিয়ে যেতে পারে সেজন্যেই এ খাবারটুকু দেয়া হতো। এ খাবারটুকু যে তাদের প্রাপ্য তা তারা মনে করতো না। অথচ মজার ব্যাপার হলো- পশুপাখি ও গাছপালার যত্ন নেয়া তাদের নিকট খুব প্রয়োজনীয় ছিল। কাজের সময়ও তাদের প্রতি নির্যাতন চালানো হতো। কাজের শেষে তাদেরকে রাখা হতো অন্ধকার এক কুঠরীতে, তাও শিকল পরিয়ে। রোমানদের সমাজে এক অদ্‌ভুত চিত্তবিনোদনের রীতি প্রচলিত ছিল। দাসদেরকে বল্লম ও তরবারি দিয়ে যুদ্ধে নামিয়ে দিয়ে প্রভুরা সে দৃশ্য দেখতো। স্বয়ং সম্রাট এ যুদ্ধ উপভোগ করার জন্যে মাঝে মাঝে উপস্থিত হতেন। দাসরা মরণপণ লড়াইয়ে লিপ্ত হতো। তরবারি ও বল্লম নিয়ে তারা ঝাঁপিয়ে পড়তো প্রতিপক্ষের উপর। এতে উভয়ই ক্ষত-বিক্ষত হতো। এভাবে এক সময় একজন নিহত হতো নির্মমভাবে। প্রভুরা আনন্দে করতালি বাজিয়ে বিজয়ী দাসকে অভিনন্দন জানাতো আর অট্টহাসিতে ফেটে পড়তো।

আইনের দৃষ্টিতে দাসদের অবস্থা কি তা আলোচনা করার কোন প্রয়োজন নেই। কেননা দাসদের হত্যা করার, শাস্তি দেয়ার বা নির্যাতন করার ব্যাপারে পূর্ণ অধিকার ছিল প্রভুদের। এমনকি কোথাও কোন অভিযোগ করারও সুযোগ ছিল না। পারস্য, ভারত ও অন্যান্য দেশেও দাসদের অবস্থা এরূপই ছিল। সামান্য কিছু তারতম্য থাকলেও মোটামুটি সবদেশেই দাসদের জীবন ছিল মানবেতর। তাদের জীবনের কোন মূল্য ছিল না। কেউ তাদের হত্যা করলে তার কোন বিচার হবার ব্যবস্থা ছিল না।

ইসলাম যখন আবির্ভূত হয় তখন সারা দুনিয়ায় দাস জীবনের চিত্র ছিল এরূপ। ইসলাম এসেই দাস শ্রেণীকে মানবীয় মর্যাদা দান করে। ইসলাম দাসদের ব্যাপারে প্রভুদের সতর্ক করে দিয়ে বললো, তোমরা একই আদমের সন্তান। অতএব, তোমরা ভাই ভাই। ইসলাম মানুষের মর্যাদার মাপকাঠি করলো তাকওয়াকে। নিছক দাস হবার কারণে কেউ নিচু মর্যাদার ব্যক্তি হতে পারে না। ইসলাম মনিবদেরকে দাসদের সাথে সদ্ব্যবহার করতে নির্দেশ দিলো। ইসলাম শিক্ষা দিলো মুনিব ও দাসদের সম্পর্ক হবে আত্মীয়তা ও ভ্রাতৃত্বের সম্পর্ক। ইসলামে দাসদেরকে নিছক পণ্য সামগ্রী বলে বিবেচনা করা হয় না। বরং তাদেরকে মানবীয় মর্যাদায় ভূষিত করা হয়। ইসলামের এ নীতি বাস্তবায়িত হয়েছিল পুরোপুরি। এমনকি ইসলাম বিদ্বেষী ইউরোপীয় লেখকরাও স্বীকার করেছেন যে, ইসলামের প্রাথমিক যুগে দাস শ্রেণী যে উচ্চ মানবিক মর্যাদা লাভ করেছিল ইতিহাসে তার নজির পাওয়া যায় না। তখন দাসরা ছিল মনিবদের মতই মুক্ত ও ভয়শূন্য।

ইসলামে দাসদের আইনগত নিরাপত্তাও ছিল। কথা বা কাজে তাদের অধিকার হরণ করার অনুমতি ছিল না। কিন্তু তাই বলে একটি মাত্র ঘোষণার মাধ্যমে দাস প্রথা উচ্ছেদ করার কোন সুযোগ ছিল না। তবে দাসদের মুক্তির ব্যাপারে ইসলাম দুটি প্রধান ব্যবস্থা নেয়। যথা- মনিবদের স্বতঃস্ফূর্তভাবে মুক্তিদানের ব্যবস্থা এবং মুক্তিপণের বিনিময়ে স্বাধীনতা প্রদান।

প্রথমতঃ মনিবদের বলা হলো, স্বেচ্ছায় দাসদের মুক্তি দিতে। ইসলাম এজন্যে মনিবদেরকে নানাভাবে অনুপ্রাণিত করে। মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম স্বয়ং অনেক দাসকে মুক্তি দিয়েছেন। সাহাবায়ে কেরাম মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর অনুসরণে বহু দাস কিনে মুক্তি দেন।

ইসলাম কোন কোন গুনাহের কাফ্‌ফারা হিসেবে দাস মুক্তিদানের নির্দেশ দেয়। যেমন অনিচ্ছাকৃত হত্যাকাণ্ড, শপথ, ইচ্ছাকৃত রোযা ভঙ্গ ইত্যাদি। এভাবে উৎসাহদানের কারণে এত বিপুলসংখ্যক দাস মুক্তি লাভ করেছিল যে, ইসলাম আসার আগে বা পরে এর কোন নজির পাওয়া যায়নি। একমাত্র মুসলমানরাই আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের আশায় বিভিন্ন পন্থায় অসংখ্য দাসকে মুক্তি দিয়েছে।

দাসদের মুক্তিদানের দ্বিতীয় ব্যবস্থা হলো মুক্তিপণ বিনিময়। ক্রীতদাস যদি অর্থের বিনিময়ে মালিক থেকে মুক্তি প্রার্থনা করে তাহেল মালিক তা মেনে নিতে নীতিগতভাবে অস্বীকার করতে পারতো না। মালিক যদি অস্বীকার করতো তা হলে বিচারালয়ের মাধ্যমে দাস নিজ অধিকার আদায় করে নিতে পারতো। ইউরোপে এ ব্যবস্থা অনুমোদিত হয় সাতশ’ বছর পরে।

সরকারী তহবিল থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয় করে দাসমুক্তির ব্যবস্থা করা হয়। ইসলামের এদু’টি ব্যবস্থার কারণে দাস শ্রেণীর ইতিহাসে বিরাট বিপ্লব সাধিত হয়। মানব জাতির ইতিহাস এ দ্বারা সাতশ’ বছর এগিয়ে যায়। তবে একটি প্রশ্ন থেকে যায়। ইসলাম যখন দাসদের মুক্তির ব্যাপারে এতবড় পদক্ষেপ নিল, এমনকি বাইরের কোনরূপ সামাজিক ও অর্থনৈতিক চাপ ছাড়াই অসংখ্য দাস মুক্তি পেয়ে গেল, তখন একই সঙ্গে দাস প্রথাকে সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করেনি কেন? এরূপ করলে তা মানব জাতির চরম কল্যাণ সাধিত হতো। এ প্রশ্নের উত্তর খুব সোজা। তখনকার সামাজিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্ড়্গৃতিক দিকগুলো খতিয়ে দেখলেই বিষয়টি পরিষ্ড়্গার হবে। ইসলাম দাসপ্রথা উচ্ছেদের সোজাসুজি নির্দেশ না দিয়ে বরং তা ক্রমবিলোপের ব্যবস্থা করে। ইসলামের এ ব্যবস্থা যদি পরবর্তীকালে অব্যাহতভাবে অনুসরণ করা হতো তাহলে অনতিকাল পরেই দাসপ্রথার বিলুপ্তি বাস্তবায়িত হতো।

কিন্তু ইসলাম যখন দুনিয়াতে আগমন করে, তখন দাস প্রথা ছিল গোটা দুনিয়ায় স্বীকৃত একটি রীতি। এ সময় কেউ তা বাধা দেবার বা পরিবর্তন করার কথা চিন্তা করতো না। তাই হঠাৎ করে এ প্রথা বিলোপের ঘোষণা দেয়া কোন প্রকারেই সম্্‌ভব ছিল না। ঠিক এমনই অবস্থা ছিল মাদকদ্রব্যের বেলায়। তৎকালীন আরব সমাজে তা এতই প্রচলিত ছিল যে, আকস্মিকভাবে তা নিষিদ্ধ করার কথা ঘোষণা করলে তা হতো বাস্তবতার খেলাপ। ইসলাম মানব প্রকৃতির কোন পরিবর্তন সাধন করতে চায়নি। বরং সেটিকে সংশোধিত করে উন্নততর করতে চেয়েছে। তাও সময় সুযোগ দিয়ে করতে চেয়েছে। কোনরূপ জোর জবরদস্তি করা ইসলামের পছন্দ নয়। বরং স্বাভাবিক দুর্বলতা কাটানোর সুযোগ দিয়ে মানুষকে মানসিকভাবে প্রস্তুতি নেয়ার সময় দেয়াই ইসলামের রীতি।

ইসলাম দাস শ্রেণীকে মুক্ত করেই ক্ষান্ত হয়নি। বরং তাদেরকে স্বাধীন মানুষের সমানই মর্যাদা দিয়েছে। মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজ ফুফাতো বোন যয়নব রা· কে বিয়ে দিয়েছিলেন তাঁরই মুক্ত দাস সাহাবি জায়েদের সাথে। বেলাল রা· যিনি ছিলেন আবু বকর রা·- এর মুক্ত দাস। তাকে মুসলমানদের প্রথম মুয়াযি্‌যন নিযুক্ত করা হয়। ওমর রা· তাঁর নাম উচ্চারণ করার সময় বলতেন, মান্যবর বেলাল।

ইসলাম মানবজাতির জন্যে শান্তির পয়গাম। জীবনের সকল পর্যায়ে সকল শ্রেণীর জন্যেই শান্তির বার্তা শোনায় ইসলাম। ইতিহাসের এক পর্যায়ে যে দাস প্রথার উদ্‌ভব হয়েছিল ইসলাম তা বাস্তব উপায়ে বিলুপ্ত করার ব্যবস্থা নিয়েছিল। জাতি ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে মানবজাতির মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করাই ইসলামের নীতি। ঘৃণিত দাস প্রথা বিলোপে এটিই মূলত কার্যকর ব্যবস্থা।

সূত্র:ইসলাম হাউস

Advertisements
 
মন্তব্য দিন

Posted by চালু করুন ডিসেম্বর 4, 2010 in ইসলাম

 

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s

 
%d bloggers like this: