RSS

সচেতনতা ইসলাম প্রতিষ্ঠার পূর্বশর্ত

05 Dec

সচেতনতা ইসলাম প্রতিষ্ঠার পূর্বশর্ত

 

ইসলাম সম্পর্কে সঠিক সচেতনতার অভাব ছাড়াও বাস্তবতা, জীবন, ইতিহাস ও আল্লাহর সৃষ্টির রীতি সম্পর্কে যথার্থ সচেতনতার অভাব রয়েছে। এর অভাবে কিছু লোক অসাধ্য সাধন করতে চায়। যা ঘটতে পারে না তারা তা-ই কল্পনা করে এবং পরিস্থিতি ও ঘটনা প্রবাহের ভুল বিচার করে বসে, যা আল্লাহর রীতি ও শরিয়তি চেতনার পরিপন্থী। তারা তাদের স্বকল্পিত পন্থায় গোটা সমাজ কাঠামোতে পরিবর্তন আনতে চায়। চিন্তাধারা, ঐতিহ্য, নীতি এবং সামাজিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক তথা সব ক্ষেত্রে পরিবর্তন আনার জন্য তারা অসম সাহসিক পদক্ষেপ নেয়, এমনকি জীবনেরও ঝুঁকি নেয়। এর পক্ষে-বিপক্ষে কী প্রতিক্রিয়া হতে পারে তারা তা মোটেও বিবেচনা করে না। কারণ তারা মনে করে তাদের লক্ষ্য তো আল্লাহ ও তার কালাম সমুন্নত করা। অতএব এসব লোকের পদক্ষেপকে অন্যরা যদি ‘আত্মঘাতী’ বা উন্মাদনাপূর্ণ বলে অভিহিত করলে আশ্চর্যের কিছু নেই।

বস্তুত এই মুসলমানরা যদি মুহূর্তের জন্যও রাসূলুল্লাহ সাঃ-এর সুন্নাহর প্রতি ভ্রূক্ষেপ করত তাহলে নিশ্চিতভাবে সঠিক পথ নির্দেশ লাভ করত। আমরা এখানে স্মরণ করতে পারি, রাসূলুল্লাহ সাঃ-এর ১৩ বছরের মক্কী জীবন। তিনি শুধু দাওয়াত দিয়ে ক্ষান্ত হননি, ৩৬০টি মূর্তি থাকা সত্ত্বেও কাবায় নামাজ ও তাওয়াফ করতে বলেছেন। কেন এরূপ করলেন? তিনি কাফিরদের তুলনায় তার অনুল্লেখযোগ্য শক্তি ও অবস্থানের কথা ভেবে অতি বাস্তব পদক্ষেপ নিয়েছেন। তিনি কখনোই কমান্ডো হামলা চালিয়ে পাথরের মূর্তিগুলো ভেঙে ফেলার চিন্তা করেননি। তাহলে তো আসল উদ্দেশ্যই পণ্ড হয়ে যেত। ওই পদক্ষেপে কাফিরদের মন থেকে তো বহু ঈশ্বরবাদের ভূত মুছে ফেলা যেত না। তিনি সর্বাগ্রে চেয়েছিলেন তার স্বজাতির মনকে মুক্ত করতে­ কাবাকে মূর্তিমুক্ত করতে নয়। এ জন্য তাওহিদের শিক্ষা দিয়ে প্রথম তিনি মুশরিকদের মন পবিত্র করার লক্ষ্যে সব চেষ্টা সাধনা নিয়োজিত করেন। তিনি এই লক্ষ্যে এমন একদল ঈমানদার তৈরি করেন যারা তাদের লক্ষ্য সম্পর্কে সচেতন এবং কঠোর অধ্যবসায় ও পরিশ্রমের মধ্য দিয়ে তারা বাতিলের বিরুদ্ধে হকের লড়াই চালিয়ে যেতে সক্ষম। এসব বিশ্বাসীর বৈশিষ্ট্য হচ্ছে তারা নিরলস নির্বিকার চিত্তে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য কাজ করে যায়, বিজয়ের উল্লাসের মাদকতায় তারা বিভোর হয়ে যায় না, আবার পরাজয়ে মুষড়ে পড়ে না। অবশ্য কখনো কখনো তারা কাফিরদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে তাদের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য রাসূলুল্লাহ সাঃ-এর অনুমতি প্রার্থনা করেছিল। কিন্তু তিনি এখনো সময় আসেনি বলে তা অগ্রাহ্য করেছিলেন এবং আল্লাহর নির্দেশ না পাওয়া পর্যন্ত ধৈর্য ধারণের উপদেশ দিয়েছিলেন। এক দিন রাসূলুল্লাহ সাঃ আম্মার বিন ইয়াসির রাঃ ও তার পিতাকে নিগৃহীত হতে দেখলেন। তিনি তাদের সহ্য করার জন্য উৎসাহিত করলেন এবং তাদের জান্নাতের সুসংবাদ দিলেন। স্বাধীনতা ও ধর্মরক্ষার জন্য আল্লাহর আদেশ না পাওয়া অবধি ঘটনা এভাবে চলতে থাকে। অবশেষে আদেশ এলো। কুরআনের ঘোষণাঃ ‘যুদ্ধের অনুমতি দেয়া হলো তাদের যারা আক্রান্ত হয়েছে। নিশ্চয়ই আল্লাহ তাদের সাহায্য করতে সক্ষম; তাদের ঘরবাড়ি থেকে অন্যায়ভাবে উচ্ছেদ করা হয়েছে শুধু এ কারণে যে, তারা বলেঃ আমাদের প্রভু হচ্ছেন আল্লাহ।’ (২২ঃ ৩৯-৪০)

কিন্তু এই অনুমতি দেয়া হয়েছে কেবল তখনই যখন রাসূলুল্লাহ সাঃ ও তাঁর সাহাবিরা নিজস্ব আবাসভূমি স্থাপন করে নিজেদের ক্ষমতা ও কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করেছেন। তার পরই তাদের শত্রুর বিরুদ্ধে যুদ্ধের অনুমতি দেয়া হয়েছে। তাঁরা এরপর একের পর এক বিজয় অর্জন করেছেন যতক্ষণ না তাঁরা আল্লাহর হুকুমে মক্কা বিজয় করেছেন। এই মক্কা থেকেই তিনি চলে যেতে বাধ্য হয়েছিলেন কাফিরদের অত্যাচারে। শেষ পর্যন্ত তিনি মক্কার মূর্তি ধ্বংস করলেন এবং তিলাওয়াত করলেন এই আয়াত, ‘বলো, সত্য সমাগত এবং মিথ্যা বিলুপ্ত হয়েছে। মিথ্যা তো বিলুপ্ত হতে বাধ্য।’ (১৭ঃ ৮১)

বিস্ময়ের ব্যাপার, জামায়াত আত তাকফির আল হিজরা ইতিহাসের এই ধারাকে অস্বীকার করে। এই অবাস্তব দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে অবশ্য গ্রুপটির প্রতিষ্ঠাতা শেখ শুকরি ও আবদুর রহমান আবু আল খায়েরের মধ্যে মতপার্থক্যও হয়েছিল। আবু আল খায়ের তাঁর ‘স্মৃতিকথায়’ লিখেছেন, ইসলামের ইতিহাসের প্রতি শেখ শুকরির আস্থা ছিল না। তিনি এটাকে ‘অপ্রামাণিক ঘটনাবলি’ বলে মনে করতেন। এটা ছিল তার সাথে মতভেদের চতুর্থ বিষয়। তিনি কেবল কুরআন শরিফে বর্ণিত ঘটনাবলিকেই ইতিহাসের উপাদান বলে মনে করতেন। তাই তিনি ইসলামি খিলাফতের অধ্যায় পাঠ করা নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছিলেন।

ধর্মীয় অজুহাতে ইতিহাস সম্পর্কে এ ধরনের সঙ্কীর্ণ ও অযৌক্তিক দৃষ্টিভঙ্গির ফলে তারা ইসলামের ইতিহাসকেও হারাম ঘোষণা করেছিলেন। ইতিবাচক ও নেতিবাচক, জয় ও পরাজয় তথা সব বিষয় সমন্বিত একটি জাতির ইতিহাস হচ্ছে সমৃদ্ধ খনির মতো, যা থেকে সম্পদ আহরণ করে একটি জাতি তার বর্তমান গড়ে তোলে। যে জাতি ইতিহাসকে উপেক্ষা করে তার অবস্থা স্মৃতিভ্রংশ মানুষের সাথে তুলনীয়, যার কোনো মূল বা দিক দর্শন নেই। কোনো গ্রুপ বা জনগোষ্ঠী কিভাবে এরূপ একটি অস্বাভাবিক শর্তকে টিকে থাকার ভিত্তি হিসেবে নির্ধারণ করতে পারে? তা ছাড়া ইতিহাস হচ্ছে এমন একটি আয়না যাতে আল্লাহর বিধান প্রতিবিম্বিত হয়েছে। এ জন্য আল কুরআনে গোটা সৃষ্টিলোক সাধারণভাবে এবং মানবজীবনে বিশেষভাবে প্রতিফলিত হয়েছে। আর এ কারণেই আল কুরআন ইতিহাসের প্রেক্ষিত অনুধাবন এবং এ থেকে শিক্ষা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে। এ প্রসঙ্গে কুরআনের বর্ণনাঃ ‘তোমাদের পূর্বে বহু জীবন প্রণালী গত হয়েছে, সুতরাং তোমরা দুনিয়া ভ্রমণ করো এবং দেখো মিথ্যাশ্রয়ীদের কী পরিণাম হয়েছে।’ ( ৩ঃ ১৩৭)

আল্লাহর রীতির বৈশিষ্ট্য হলো স্থায়িত্ব, তার কখনো পরিবর্তন হয় না। আল কুরআন বলছেঃ ‘তারা আল্লাহর নামে দৃঢ় অঙ্গীকার করে বলত যে, তাদের কাছে কোনো সতর্কবাণী এলে তারা অন্য সব সম্প্রদায় অপেক্ষা সৎ পথের অধিকতর অনুসারী হবে। কিন্তু যখন তাদের কাছে সতর্কবাণী এলো তখন তো কেবল এদের বিমুখতাই বৃদ্ধি করল, জমিনের বুকে ঔদ্ধত্য প্রকাশ এবং কূট ষড়যন্ত্রের কারণে। কূট ষড়যন্ত্র এর উদ্যোক্তাদেরই পরিবেষ্টিত করে। তবে কি তারা প্রত্যক্ষ করছে পূর্ববর্তীদের প্রতি প্রযুক্তি বিধানের? কিন্তু তুমি আল্লাহর বিধানে কখনো কোনো পরিবর্তন দেখতে পাবে না এবং আল্লাহর রীতিতে কোনো ব্যতিক্রম দেখবে না। (৩৫ঃ ৪২-৪৩)

আল্লাহর রীতি যেহেতু অপরিবর্তনীয় ও স্থায়ী তাই যারা দুষ্কর্মে লিপ্ত হয় স্থান, কাল ও জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে সবার প্রতি আচরণে তিনি একই রীতি প্রয়োগ করেন। এই নীতির একটি শিক্ষণীয় দৃষ্টান্ত আমরা দেখেছি ওহুদের যুদ্ধে। রাসূলুল্লাহ সাঃ-এর উপদেশ উপেক্ষা করার দরুন তাদের কঠিন মূল্য দিতে হয়েছিল। কুরআনুল কারিমে এ কথা উল্লিখিত হয়েছেঃ ‘কী ব্যাপার! যখন তোমাদের ওপর মুসিবত এলো তখন তোমরা বললে এটা কোথা থেকে এলো! অথচ তোমরা তো দ্বিগুণ বিপদ ঘটিয়েছিলে। বলো এটা তোমাদের নিজেদেরই নিকট থেকে। আল্লাহ সর্ব বিষয়ে শক্তিশালী। (৩ঃ ১৬৫)

আরেকটি আয়াতে যে কারণে মুসলমানদের পরাজয়বরণ করতে হয়েছে তার পরিষ্কার উল্লেখ করা হয়েছেঃ ‘আল্লাহ তোমাদের সাথে তাঁর প্রতিশ্রুতি পূর্ণ করেছিলেন যখন তোমরা আল্লাহর অনুমতিক্রমে তাদের বিনাশ করছিলে যে পর্যন্ত না তোমরা সাহস হারালে এবং নির্দেশ সম্বন্ধে মতভেদ করলে এবং যা তোমরা ভালোবাসো তা তোমাদের দেখানোর পর তোমরা অবাধ্য হলে।’ (৩ঃ ১৫২)। কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনার দরুন ইতিহাসে অনেক সন্দেহজনক ঘটনা সংযোজিত হয় সত্য, কিন্তু মূল ঘটনাপ্রবাহ সুরক্ষিত থাকে এবং একাধিক প্রামাণিক সূত্রে তা সমর্থিত হয়। আর সন্দেহপূর্ণ ঘটনাগুলো বিজ্ঞ ব্যক্তিরা বিশ্লেষণ করতে পারেন। যাতে সত্য নিরূপণ করা যায়।

পক্ষান্তরে আমরা শুধু ইসলামের ইতিহাস নয়, সৃষ্টির পর থেকে মানব ইতিহাসের প্রতি আমাদের সৃষ্টি কেন্দ্রীভূত করতে চাই। শুধু ঈমানদারদের ইতিহাস নয়, বরং নাস্তিকদের ইতিহাস থেকেও জ্ঞান আহরণ করা যায়। কেননা আল্লাহর রীতিতে কোনো পক্ষপাতিত্ব নেই। তা তো তাওহিদপন্থী ও পৌত্তলিক উভয়ের ক্ষেত্রেই সমভাবে প্রযোজ্য। বস্তুত জাহিলিয়ার ভ্রান্ত প্রকৃতি অনুধাবন করতে না পারলে আমরা কুরআনুল কারিমকে এবং ইসলামের বদৌলতে আমরা কী কল্যাণ লাভ করেছি তাও উপলব্ধি করতে সক্ষম হবো না। কুরআনে বলা হয়েছেঃ ‘… যদিও তারা পূর্বে স্পষ্ট বিভ্রান্তিতে নিমজ্জিত ছিল।’ (৩ঃ ১৬৪)

এবং ‘তোমরা অগ্নি গহ্বরের কিনারে দাঁড়িয়েছিলে, আল্লাহ তা হতে তোমাদের রক্ষা করেছেন।’ (৩ঃ ১০৩)

উমর ইবনে খাত্তাব রাঃ-এর একটি উক্তিতেও এই মর্ম প্রতিফলিত হয়েছেঃ ‘জাহিলিয়ার প্রকৃতি অনুধাবনে ব্যর্থতা শুরু হলে একে একে ইসলামের বন্ধনী বিচ্ছিন্ন হতে থাকবে।’

সত্য প্রকাশ যদি পুণ্য হয় তাহলে আমি বলব ইসলামি আন্দোলনের সাথে সংশ্লিষ্ট অনেকেই ইতিহাস সঠিকভাবে অধ্যয়ন ও অনুধাবন করেননি। ইতিহাস পাঠের অর্থ শুধু বিশেষ বিশেষ সময়ের ঘটনাকে জানা নয়, বরং অন্তদৃêষ্টি দিয়ে এর মর্ম উপলব্ধি করা, শিক্ষা নেয়া এবং আল্লাহর রীতিগুলো উদ্ভাসিত করা। নিছক পূর্ববর্তী জাতিগুলোর ধ্বংসাবশেষ অবলোকন করলে কোনো ফায়দা হবে না। শুধু দেখা আর শোনার মাধ্যমে ইতিহাসের মর্ম উপলব্ধি করা যায় না। এ প্রসঙ্গে কুরআন বলছেঃ ‘তারা কি দেশ ভ্রমণ করেনি? তাহলে তারা জ্ঞানবুদ্ধিসম্পন্ন হৃদয় ও শ্রুতিশক্তিসম্পন্ন কর্ণের অধিকারী হতে পারত। আসলে চোখ তো অন্ধ নয়, বরং অন্ধ হচ্ছে বক্ষস্থিত হৃদয়’। (২২ঃ ৪৬)

ঐতিহাসিক ঘটনাবলির পুনরাবৃত্তি ঘটে এবং একটির সাথে অপরটির সাদৃশ্য পরিলক্ষিত হয়। কারণ এগুলো একই অপরিবর্তনীয় নিয়মে প্রবাহিত হয়। তাই পাশ্চাত্য শিখিয়েছেঃ ‘ইতিহাসের চাকা ঘোরে’ আর আরবরা বলে, ‘আজকের রাত কালকের রাতের মতোই।’ আল কুরআনুল কারিমে দৃষ্টিভঙ্গি ও আচার-আচরণে সাদৃশ্যের কারণ হিসেবে অভিন্ন চিন্তা ও দৃষ্টির উল্লেখ করা হয়েছেঃ ‘যাদের জ্ঞান নেই তারা বলেন, ‘আল্লাহ কেন আমাদের সাথে কথা বলেন না কিংবা কোনো নিদর্শন আমাদের কাছে আসে না কেন? এর আগের লোকেরাও এ ধরনের কথা বলত। তাদের হৃদয় একই রকম। আমি দৃঢ় প্রত্যয়শীলদের জন্য নিদর্শনাবলি স্পষ্টভাবে বিবৃত করেছি।’

কোরাইশ পৌত্তলিকদের সম্পর্কে আল্লাহ বলছেনঃ ‘এভাবে এদের পূর্ববর্তীদের কাছে যখনই কোনো রাসূল সাঃ এসেছেন তারা তাঁকে বলেছে, ‘তুমি তো এক জাদুকর, না হয় এক উন্মাদ!’ তারা কি একে অপরকে এই মন্ত্রণাই দিয়ে এসেছে? বস্তুত তারা এক সীমালঙ্ঘনকারী সম্প্রদায়।’ (৫১ঃ ৫২-৫৩)

তাহলে দেখা যায়, আল্লাহর নবীর প্রতি আগের ও পরের জাতিগুলোর দৃষ্টিভঙ্গির অভিন্নতা তাদের মধ্যে সমঝোতার ফলশ্রুতি নয়, বরং সাদৃশ্য হলো অন্যায় ও স্বেচ্ছাচারী আচরণে। সুতরাং তাদের দৃষ্টিভঙ্গির অভিন্ন কারণ হলো স্বেচ্ছাচারিতা।

যারা ইতিহাসের গুরুত্ব ও আল্লাহর রীতির মর্ম উপলব্ধি করতে সক্ষম কেবল তারাই অতীত জাতিগুলোর ভ্রান্তি থেকে শিক্ষা নিতে পারে। তারাই প্রকৃত সুখী। যারা এসব ভুলভ্রান্তি থেকে নিজেরা সতর্ক হয় বটে, কিন্তু অন্যের ভালো দিকগুলোকেও উপেক্ষা করে না। জ্ঞানই ঈমানদারের লক্ষ্য তা সে যেখান থেকেই অর্জন করুক না কেন। কেননা অন্য যেকোনো ব্যক্তির চেয়ে এটা তারই প্রাপ্য।

 

*******************************************

 
মন্তব্য দিন

Posted by চালু করুন ডিসেম্বর 5, 2010 in ইসলাম

 

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s

 
%d bloggers like this: