RSS

কে কত হাসতে পারো!!! “পর্ব চার”

23 Jan

 

(কৃপণ স্বামী আর স্ব্রী মধ্যে কথা হচ্ছিল আরেক কৃপণ বন্দুকে নিয়ে)
স্বামী : জান, আমার বন্দুর অনেক টাকা-পয়সা! ও এত টাকা দিয়ে যে কী করে, বুঝতে পারি না।
স্ব্রী : কেন? কী হয়েছে ওর?
স্বামী : না, তেমন কিছু হয়নি। ওর মানিব্যাগে গতপরশু দেখলাম ৫ টাকা। আজ দেখলাম ২ টাকা আছে!
স্ব্রী : তাই! তুমি কি ওকে টাকা ধার দিতে চাচ্ছ?
স্বামী : আরে না, আমিই আরো ওর কাছ থেকে ১•৫০ টাকা নিয়ে নিয়েছি।
স্ব্রী : তাহলে বেশ করেছ। ওই কৃপণটা বুঝুক, হাতে টাকা না থাকলে কেমন লাগে?

আপনি মুক্ত
বিচারক কাঠগড়ার দিকে তাকিয়েঃ আপনি মুক্ত।
আসামিঃ মানে কী?
বিচারকঃ মানে হচ্ছে, আপনার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছিল, তা প্রমাণ করা যায়নি।
আসামিঃ তার মানে লুটের টাকা আমি নিজের কাছেই রাখতে পারব?

পার্থক্য
নবীন বিশেষজ্ঞ ও প্রবীণ বিশেষজ্ঞের মধ্যে পার্থক্য কী?
উত্তরঃ নবীন বিশেষজ্ঞ কাজ জানে না আর প্রবীণ বিশেষজ্ঞ কাজ করে না।

নিয়মিত ক্রেতা হারালাম
ফুলের দোকানের মালিককে জিজ্ঞেস করা হলোঃ আপনার চেহারা এমন মলিন কেন?
মালিকঃ আর বলবেন না, সারা বছর প্রতিদিন যে যুবক আমার এখান থেকে ফুল কিনত, কাল তার বিয়ে!
ক্রেতাঃ তাতে আপনি কষ্ট পাচ্ছেন কেন? আপনার তো খুশি হওয়ার কথা!
মালিকঃ আপনি তার কী বুঝবেন? আমি যে একজন নিয়মিত ক্রেতা হারালাম!

ড্রাইভার
দোস্ত, বিশাল একখান চাকরি পাইছি। দামি গাড়ি, থাকা-খাওয়া।
তা তোর পোস্টটা কী?
ইয়ে•••মানে•••ড্রাইভার।

রং
আমার হাতে অনেক শক্তি। এক চড় মেরে বল্টুর গাল লাল করে দিয়েছিলাম।
হুহ্‌। এ আর এমন কী, আমি তো চড় না মেরেই গাল লাল করেছি।
পিওর লাল।
কীভাবে?
রং দিয়ে।

চোর
জানিস, কাল রাতে আমরা যখন ঘুমিয়ে ছিলাম, তখন আমাদের বাড়িতে চোর এসেছিল।
ঘুমের মধ্যে টের পেলি কীভাবে?
ঘুমের মধ্যে টের পাইনি, সকালে উঠে টের পেয়েছি।

কি-বোর্ড
শোন, আমি বিদেশে মিউজিকের ওপর পড়ালেখা করেছি। যেকোনো কি-বোর্ডেই আমি সুর তুলতে পারি।
তাই, এই নে আমার কম্পিউটারের কি-বোর্ড, এইটাতে সুর তুইলা দেখা।

অভাব
শিক্ষকঃ তোমাকে যদি একটা জ্ঞানের আর একটা টাকার ঝুড়ি দেয়া হয় তুমি কোনটা নেবে?
ছাত্রঃ টাকার ঝুড়ি স্যার।
শিক্ষকঃ আমি কিন্তু জ্ঞানের ঝুড়িটাই নিতাম।
ছাত্রঃ আসলে স্যার যার যেটার অভাব সেতো সেটাই নেবে।

অর্ধ শিক্ষিত
এক অর্ধশিক্ষিত আরেক অর্ধশিক্ষিতের কাছে নিজের প্রশংসা করছে।
১ম অর্ধ শিক্ষিতঃ বুঝলেন ভাই, আমি হচ্ছি একজন বিখ্যাত পর্যটক।
২য় অর্ধ শিক্ষিতঃ তার মানে?
১ম অর্ধ শিক্ষিতঃ তাও জানেন না। এর মানে হল পৃথিবীর কোনো দেশ আমার ঘোরার বাদ নেই, খুলন্, রংপুর, কালিগঞ্জ, বরিশাল, মুন্সিগঞ্জ, রাজবাড়ী, জয়দেবপুর, সাভার, জয়পুরহাট, বগুড়া আর কত বলব।
২য় অর্ধ শিক্ষিতঃ তাহলে পৃথিবীর মানচিত্র সম্পর্কে দেখছি আপনার চমৎকার ধারণা।
১ম অর্ধ শিক্ষিতঃ আরে হ্যাঁ, পৃথিবীর মানচিত্র তো খুব সুন্দর একটা দ্যাশ (দেশ)। ওটা একটা ঐতিহ্যপূর্ণ দ্যাশ। ওখানেও তো আমি এক হপ্তা (সপ্তাহ) ছিলাম।

ভুল
শিক্ষকঃ রফিক দাঁড়াও, তোমার একটা অংকও ঠিক হয়নি।
ছাত্রঃ এ কী করে সম্ভব! এ সবগুলো অংক তো আমার অংক শিক্ষক করে দিয়েছিলেন!

ছেলে বাবাকে বলছেঃ
আব্বু, তোমাকে তো কখনো হাসতে দেখিনি আবার কাঁদতেও দেখিনি। হঠাৎ আজ হাসছ যে?
আর কিছু দেখেছিস?
না তো!
তাহলে থাক। কারণ বলব না।
কেন হাসছ, বলো না বাবা!
দেখলি না তোর মা ঢিল ছুড়ে মারল।
হ্যাঁ, তা তো প্রায়ই মারে।
আরে, আজ গায়ে লাগাতে পারেনি। তাই  হাসছি।

অসাড় হয়ে গেল!
ট্রনে পাশাপাশি বসে রাজশাহী থেকে ঢাকা আসছিলেন এক বয়স্ক ও তরুণ।
এক পর্যায়ে বয়স্ক লোকটি তরুণকে বললেন-
শেষ পর্যন্ত আমি যা আশঙ্কা করেছিলাম তা-ই হলো। আমার বাঁ-পা বোধ হয় অসাড় হয়ে গেল!
এসব কী বলছেন চাচা? দেখেন, মনে হয় ঠিকই আছে।
না, এই দেখ না বাবা, কতক্ষণ হলো চুলকাচ্ছি একটুও টের পাচ্ছি না।
তা পাবেন কীভাবে বলেন তো? আপনি তো সেই কখন থেকে আমার ডান পা’টা চুলকিয়ে যাচ্ছেন!
অ্যাঁ!

 
মন্তব্য দিন

Posted by চালু করুন জানুয়ারি 23, 2011 in কৌতুক ও রম্য গল্প

 

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s

 
%d bloggers like this: