RSS

কে কত হাসতে পারো!!! “পর্ব পাচ”

23 Jan

 

‘আল্লাহু আকবর’
বাগদাদের আংশিক ব্যস্ত রাস্তায় ছুটে চলছে একটি যাত্রীবোঝাই বাস। পেছনের সিটে বসে আছে এক হ্যান্ডসাম যুবক। তার উল্টো দিকের সারিতে বসে আছেন এক তরুণী। যুবকের দৃষ্টি সেই তরুণী থেকে সরে না। পেছনেই বসেছিলেন এক প্রবীণ। ব্যাপারটা বেশ ভাল করেই খেয়াল করছিলেন এবং স্বভাবতই যুবকের আচরণে কিঞ্চিৎ বিরক্ত হচ্ছিলেন। কিন্তু সাহস পাচ্ছিলেন না সরাসরি কিছু বলার। যুবক যথারীতি নিস্পলক নেত্রে তাকিয়েই আছে। তরুণীও বিব্রত। শেষে আর বসে থাকা সম্ভব হলো না প্রবীণের পক্ষে। যুবকের মনে ক্ষণিকের জন্য ধর্মীয় নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি ঢুকিয়ে দিতে প্রবীণ সজোরে বলে উঠলেন, ‘আল্লাহু আকবর’। মুহূর্তে কড়া ব্রেক। সেকেন্ডের মধ্যে পড়িমড়ি করে যাত্রীরা গাড়ি ছেড়ে রাস্তায়। এই বুঝি বোমাটা ফাটলো! আত্মঘাতি হামলার আগেও তো সবাই ‘আল্লাহু আকবর’ বলে!

মামা ভাগ্নে
মামাঃ শোন, এই যে তোকে বকা দিই, প্রহার করি, বড় হলে একদিন বুঝবি এসবই ছিল আমার ভালোবাসার প্রকাশ।
ভাগ্নেঃ মামা, আমিও তোমাকে খুব ভালোবাসি, শুধু প্রকাশ (!) করতে পারি না।

বাবা ও ছেলে
বাবা ও ছেলের মধ্যে কথা হচ্ছে- বাবা-জানালার গ্লাস কে ভেঙেছে।
ছেলেঃ আমি ভাঙিনি বাবা, ওটা মেহেদি ভেঙেছে।
বাবাঃ কিন্তু আমি তো শুনলাম ডিলাটা তুই-ই মেরেছিস।
ছেলেঃ এ কথা ঠিক। কিন্তু আমি তো ওর মাথা লক্ষ্য করে দিয়েছিলাম। ও বসে পড়ল। তাই তো গ্লাসে লাগল। আমার কী দোষ।

স্বামী-স্ত্রী
স্বামী-স্ত্রীর তুমুল ঝগড়ার একপর্যায়ে পাশের একটি ছাগলকে দেখিয়ে স্ত্রী বলছে-
স্ত্রীঃ ওই দেখো, তোমার আত্মীয়?
স্বামীঃ হ্যাঁ, বিবাহসূত্রেঃ

ডাক্তার ও রোগী
একজন মোটা লোক ডাক্তারের কাছে গিয়ে বললেন-
রোগীঃ ডাক্তার সাহেব আমি আমার শরীর নিয়ে খুব সমস্যায় আছি। এখন কি করি বলুন তো?
ডাক্তারঃ আপনি সকালে একটা রুটি, একটু ভাজি, দুপুরে সামান্য ভাত, একটু সবজি এবং রাতে একটি রুটি ও একটু সবজি খাবেন।
রোগীঃ সবই তো বুঝলাম, তা এগুলো কি খাবার আগে খাব না পরে খাব?

পিস্নজ ডোন্ট শুট!
এক ভদ্রলোক মধ্যরাতে ঘুম থেকে উঠে চেঁচিয়ে উঠেছিলেন, ডোন্ট শুট! প্লিজ ডোন্ট শুট!
স্ত্রী বলেছিলেন, কী হলো! দুঃস্বপ্নই তো দেখেছ, অন্যকিছু তো নয়!
ভদ্রলোকের জবাব ছিল-  তা তো জানি, দুঃস্বপ্নই। ঘুমিয়ে পড়লাম বাংলাদেশে, জেগে দেখি ইরাকে!

ডাক্তার-রোগী
রোগীঃ ডাক্তার সাহেব, আজ আমি বুঝতে পারছি মামুলি কাশি কি ভয়ংকর হতে পারে।
ডাক্তারঃ সেটা কি দেখে বুঝলেন?
রোগীঃ আপনার দেয়া বিলটা দেখে।

ফুটবল
দুই বন্ধুর মধ্যে কথা হচ্ছে-
১ম বন্ধুঃ তোর কি মনে হয় রবীন্দ্রনাথ কখনও ফুটবল খেলেছিলেন?
২য় বন্ধুঃ অবশ্যই!
১ম বন্ধুঃ তুই এতটা নিশ্চিত হলি কী করে?
২য় বন্ধুঃ আরে, তার একটা গান আছে না- ‘বল দাও, মোরে বল দাও।’

দাওয়াত
শীতকালে জামাই ও শ্বশুরের মধ্যে কথোপকথন
জামাইঃ আব্বা, পিঠা খাওয়ার জন্য শীতকালই উপযুক্ত সময়।
শ্বশুরঃ তুমি আমার মনের কথা বলেছ। শীত এলেই আমি
আমার শ্বশুরকে পিঠা খাওয়ার দাওয়াত দিতাম।

 
মন্তব্য দিন

Posted by চালু করুন জানুয়ারি 23, 2011 in কৌতুক ও রম্য গল্প

 

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s

 
%d bloggers like this: