RSS

ভেন্যু পরিচিতি

17 Feb

শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম

প্রতিষ্ঠা : ২০০৬ সাল
দর্শক ধারণক্ষমতা : ২৮ হাজার
বিশ্বকাপের ম্যাচ : ৬টি
বাংলাদেশের বাঘ খ্যাত শেরেবাংলা একে ফজলুল হকের নামানুসারে স্টেডিয়ামটির নামকরণ করা হয়েছে। মাঠটি প্রাথমিকভাবে আকারে আয়তক্ষেত্রাকার ছিল। কারণ এটি ফুটবল মাঠ হিসেবে ব্যবহৃত হতো। পরে এই মাঠ ক্রিকেটের জন্য সংস্কার করা হয়েছে। রাজধানী ঢাকার মিরপুরের ৬ নং সেক্টরে এটি অবস্থিত। স্টেডিয়ামে দর্শকদের বসার জন্য ২৮ হাজার চেয়ার বসানো হয়েছে। এখানে ফ্লাডলাইটের পরিবর্তে টিবুলার ফ্লাডলাইট লাগানো হয়েছে, যা বাংলাদেশে এই প্রথম। আরও থাকছে স্কোর বোর্ড, সিসিটিভি, ৬০ ফুট জায়ান্ট স্ক্রিন, গ্যালারি শেড, শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কেনোপি, মিডিয়া সেন্টার। এছাড়া হসপিটালিটি বক্স স্থাপন করা হয়েছে। এটি বিশ্বের অত্যাধুনিক স্টেডিয়ামগুলোর একটি। এখানের স্লো উইকেট সবসময়ই বোলারদের জন্য আশীর্বাদ।

ফিরোজ শাহ কোটলা
প্রতিষ্ঠা : ১৮৮৩ সাল
দর্শক ধারণক্ষমতা : ৪৮ হাজার
বিশ্বকাপ ম্যাচ : ৪টি
ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির অনেকটা কেন্দ্রস্থলে সাড়ে ছয়শ’ বছরের পুরনো দুর্গের সামনে অবস্থিত ফিরোজ শাহ কোটলা স্টেডিয়ামটি অবস্থিত। ব্রিটিশ আমলে এটি উইলিংডন প্যাভিলিয়ন নামে পরিচিত ছিল। এ মাঠেই অনিল কুম্বলে পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্টে এক ম্যাচেই ১০ উইকেট পেয়েছিলেন। এটার পিচ বেশ বাউন্সি হওয়ার কারণে ২০০৯ সালের ডিসেম্বরে ভারত-শ্রীলঙ্কার ম্যাচটি পরিত্যক্ত ঘোষিত হয়। পরে পিচ সংস্কারের পর এটি বিশ্বকাপের ভেন্যুর মর্যাদা পায়।

এমএ চিদাম্বরম স্টেডিয়াম
প্রতিষ্ঠা : ১৯১৬ সাল
দর্শক ধারণক্ষমতা : ৫০ হাজার
বিশ্বকাপ ম্যাচ : ৪টি
ভারতের চেন্নাইয়ে এমএ চিদাম্বরম স্টেডিয়াম এক সময় চিপক স্টেডিয়াম ও মাদ্রাজ ক্রিকেট ক্লাব গ্রাউন্ড নামে পরিচিত ছিল। ১৯৩৪ সালের পর থেকে এখানে নিয়মিত আন্তর্জাতিক ম্যাচ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। চিদাম্বরমের আবহাওয়া ও দর্শকরা ম্যাচের সবচেয়ে সহায়ক শক্তি। ১৯৯৪ সালে স্বাগতিকদের বিপক্ষে সফররত পাকিস্তানের সাঈদ আনোয়ার ওয়ানডে ম্যাচে ১৯৪ রানের রেকর্ড গড়ার পর চেন্নাইয়ের দর্শকরা দাঁড়িয়ে সম্মান জানাতে ভুল করেনি।

মুত্তিয়া মুরলিধরন স্টেডিয়াম
প্রতিষ্ঠা : ২০০৯ সাল
দর্শক ধারণক্ষমতা : ৩৫ হাজার
বিশ্বকাপ ম্যাচ : ৩টি
শ্রীলঙ্কার ক্যান্ডি শহরে স্টেডিয়ামটি অবস্থিত। ২০১০ সালের জুলাই মাসে এটির নাম পাল্টে বর্তমান নাম রাখা হয়। ৮ মার্চ পাকিস্তান ও নিউজিল্যান্ডের মধ্যকার ওয়ানডে ম্যাচ দিয়েই এ স্টেডিয়ামটিতে আন্তর্জাতিক ম্যাচের উদ্বোধন হবে। আর চলতি বছরের ৫ ডিসেম্বর এখানে প্রথম টেস্টে স্বাগতিকরা ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে খেলবে।

বিধর্ভা ক্রিকেট স্টেডিয়াম
প্রতিষ্ঠা : ২০০৮ সাল
দর্শক ধারণক্ষমতা : ৪৫ হাজার
বিশ্বকাপ ম্যাচ : ৪টি
পশ্চিম ভারতের বিধর্ভা ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন স্টেডিয়াম নাগপুরের নগর কেন্দ্র থেকে ১৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। ৩৩ একর জায়গাজুড়ে অবস্থিত এই স্টেডিয়ামে রয়েছে সব ধরনের আধুনিক সুযোগ-সুবিধা। এটা নিউ ভিসিএ স্টেডিয়াম নামেও পরিচিত।

এম চিন্নাস্বামী স্টেডিয়াম
প্রতিষ্ঠা : ১৯৬৯ সাল
দর্শক ধারণক্ষমতা : ৫০ হাজার
বিশ্বকাপ ম্যাচ : ৬টি
ভারতের ব্যাঙ্গালোরের এম চিন্নাস্বামী স্টেডিয়াম এক সময় কর্ণাটক স্টেট ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন স্টেডিয়াম নামে পরিচিত ছিল। এম চিন্নাস্বামী ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি ছিলেন। ১৯৭৪-৭৫ সেশনে এটি টেস্ট ভেন্যুর মর্যাদা পায়। ওই ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজ গ্রেট গর্ডন গ্রিনিজ ও ভিভ রিচার্ডসের টেস্ট অভিষেক ঘটে। এটি সফররত দলের বেশ ফেভারিট ভেন্যু। কারণ ১৯৮৭ সালের পর থেকে এই মাঠে সফররতরা বেশি জয় পাচ্ছে। মাইকেল ক্লার্কের অভিষেক টেস্ট সেঞ্চুরি, ইনজামামের শততম টেস্টে সেঞ্চুরি ও অনিল কুম্বলের ৪০০তম টেস্ট উইকেট এই মাঠেই সম্পন্ন হয়েছিল।

সরদার প্যাটেল স্টেডিয়াম
প্রতিষ্ঠা : ১৯৮২ সাল
দর্শক ধারণক্ষমতা : ৫৪ হাজার
বিশ্বকাপ ম্যাচ : ৩টি
ভারতের গুজরাটের আহমেদাবাদ শহরের প্রান্তেই ৫০ একর জায়গাজুড়ে এটি অবস্থিত। মাত্র ৯ মাসে এটির নির্মাণ শেষ হয়। এটি মোতিরা স্টেডিয়াম নামেও পরিচিত। ১৯৮৩ সালের নভেম্বরে এই স্টেডিয়ামে সুনীল গাভাস্কার টেস্টে ১০ হাজার রানের মাইলফলক ছুঁয়ে দেন এবং এর ৭ বছর পর কপিল দেব পাকিস্তানের বিপক্ষে ৪৩২তম উইকেট নিয়ে রিচার্ড হেডলির গড়া রেকর্ড ভাঙেন।

ওয়াংখেড় স্টেডিয়াম
প্রতিষ্ঠা : ১৯৭৪ সাল
দর্শক ধারণক্ষমতা : ৪৫ হাজার
বিশ্বকাপ ম্যাচ : ৩টি
ভারতের বিনোদন ও ক্রিকেট রাজধানী হিসেবে পরিচিত মুম্বাইয়ে ২০১১ বিশ্বকাপ ক্রিকেটের ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে। সাগর তীরের এই স্টেডিয়ামটি ভারতের অন্যতম স্টেডিয়াম হিসেবে স্বীকৃত। এটা মুম্বাইয়ের ব্রাবোর্ন স্টেডিয়ামের ধারেকাছেই নির্মিত হয়েছে। ভারতীয় তারকা বিজয় মার্চেন্ট, সুনীল গাভাস্কার এবং শচীন টেন্ডুলকারের প্রিয় স্টেডিয়াম এটি।

প্রেমাদাসা স্টেডিয়াম
প্রতিষ্ঠা : ১৯৮৬ সাল
দর্শক ধারণক্ষমতা : ৩৫ হাজার
বিশ্বকাপ ম্যাচ : ৭টি
শ্রীলঙ্কার রাজধানী কলম্বোর আর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামটি এক সময় খিত্তারামা স্টেডিয়াম নামে পরিচিত ছিল। এটি জলাভূমির উপর তৈরি করা হয়েছে। ১৯৯৪ সালে এটি বর্তমান নাম ধারণ করে দেশটির প্রয়াত প্রেসিডেন্ট রানাসিঙ্গে প্রেমাদাসার নামানুসারে। বিশ্বকাপ উপলক্ষে এটির ব্যাপক সংস্কার ও আধুনিকায়ন হয়েছে।

ইডেন গার্ডেন্স
প্রতিষ্ঠা : ১৮৬৪ সাল
দর্শক ধারণক্ষমতা : ৯০ হাজার
বিশ্বকাপের ম্যাচ : ২টি
এমসিসির মতো ক্রিকেট ইতিহাসের স্মারক হয়ে আছে ভারতের কলকাতার ইডেন গার্ডেন্স। ১৯৩৪ সালে ডগলাস জার্ডিনের দল এখানে টেস্ট খেলে। তখন থেকে এটি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটারদের তীর্থ। এ মাঠে একাধিক ম্যাচ নিয়ে দাঙ্গা হয়েছে। তারপরও অনেক আকর্ষণীয় ম্যাচের সাক্ষী হয়ে আছে ইডেন গার্ডেন্স।

জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়াম
প্রতিষ্ঠা : ২০০০ সাল
দর্শক ধারণক্ষমতা : ২০ হাজার
বিশ্বকাপের ম্যাচ : ২টি
বাংলাদেশের চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী মাঠটি আইসিসি অনুমোদিত টেস্ট প্লেয়িং আন্তর্জাতিক ক্রিকেট মাঠগুলোর একটি। এটি এক সময় বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ রুহুল আমিন মাঠ ও চট্টগ্রাম বিভাগীয় মাঠ হিসেবেও পরিচিত ছিল। এই মাঠে ২০০৪ সালে অনুষ্ঠিত অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ হয়েছে। ওই বিশ্বকাপের উদ্দেশ্যেই সংস্কার করা হয়েছিল মাঠটি। স্টেডিয়ামটি ২০০৬ সালের জানুয়ারি মাসে পূর্ণ আন্তর্জাতিক মর্যাদা পায়। বন্দরনগরী চট্টগ্রামের সাগরিকায় এটি অবস্থিত। স্টেডিয়ামটির পাশেই রয়েছে বঙ্গোপসাগর।

পাঞ্জাব ক্রিকেট স্টেডিয়াম
প্রতিষ্ঠা : ১৯৯৩ সাল
দর্শক ধারণক্ষমতা : ৩০ হাজার
বিশ্বকাপ ম্যাচ : ৩টি
ভারতের চন্ডিগড়ের মোহালিতে অবস্থিত পাঞ্জাব ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন স্টেডিয়ামটি প্রতিষ্ঠার এক বছর আগেও
ছিল জলাভূমি। কিন্তু সাত বছরের মধ্যে এটি ভারতের
সেরা স্টেডিয়াম হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছিল। কিন্তু এর কয়েক বছর পরই এটির পিচ স্লো হতে থাকে। তারপরও
বেশক’টি দুর্দান্ত ওয়ানডে ম্যাচ এটি উপহার দিয়েছে।
এর মধ্যে ১৯৯৬ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ওয়েস্ট
ইন্ডিজের বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়ার হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পর জয় অন্যতম।

মাহিন্দ রাজাপাকসে স্টেডিয়াম
প্রতিষ্ঠা : ২০০৯ সাল
দর্শক ধারণক্ষমতা : ৩৫ হাজার
বিশ্বকাপ ম্যাচ : ২টি
বিশ্বকাপ ক্রিকেটকে কেন্দ্র করেই মাহিন্দ রাজাপাকসে আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামটি নির্মাণ করা হয়েছে। মহিন্দ রাজাপাকসে হলেন দেশটির প্রেসিডেন্ট। এটি শ্রীলঙ্কার দক্ষিণাঞ্চলীয় হামবানতুতা জেলার সুরিয়াবিরা
এলাকায় অবস্থিত। এটি হামবানতুতা স্টেডিয়াম নামেও পরিচিত। বিশ্বকাপের ম্যাচের মাধ্যমেই স্টেডিয়ামটির অভিষেক ঘটবে।

 
মন্তব্য দিন

Posted by চালু করুন ফেব্রুয়ারি 17, 2011 in খেলা

 

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s

 
%d bloggers like this: